ঝালকাঠিতে ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনা

ঢাকা থেকে বরগুনা গামী

ঢাকা থেকে বরগুনা গামী নৌযান এমভি অভিযান -১০ এ রাত সাড়ে তিন টার দিকে ঝালকাঠিতে ভয়াবহ অগ্নি দুর্ঘটনা ঘটে..
এ পর্যন্ত ৩৯ যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার।মৃতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশংকা।

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে একটি লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর ) রাত ৩ টার দিকে ঢাকা থেকে বরগুনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটি ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধাঁনসিড়ি ইউনিয়নের সংলগ্ন নদীতে অবস্থান করে। এ সময় হঠাৎ লঞ্চের ইঞ্জিনরুম থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মূহুর্তের মধ্যেই আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে।

 

এসময় লঞ্চে কয়েকশ’ যাত্রী ছিলেন।
কেউ কেউ প্রাণে বাঁচতে লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন বলে জানিয়েছেন সোহাগ নামের এক যাত্রী।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক টিম আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার অভিযানে যায়। দগ্ধ কয়েকশ মানুষকে ঝালকাঠি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেরে-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানিয়েছে ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধার কাজ এখনও চলছে।

পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানান, ঢাকা থেকে ৫ শতাধিক যাত্রী নিয়ে বরগুনা যাচ্ছিল এমভি অভিযান-১০ নামে একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ।

ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মঈনুল হক জানান, ভোর ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। যাত্রীদের উদ্ধারে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন। দগ্ধ যাত্রীদের হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও ডা. আমির হোসেন বলেন, ২০০ শতাধিক যাত্রী আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বরিশাল শেবাচিম হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাত ৪টা থেকে হাসপাতালে আগুনে আহত শতাধিক যাত্রী এখানে ভর্তি হয়েছে। বেড সংঙ্কটের কারণে তাদের হাসপাতালের ফ্লোরে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.